শুক্রবার, ১৮ই আগস্ট, ২০১৭ ইং, ৩রা ভাদ্র, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ১১:০৮
Homeঅন্যান্যবিশ্ব ইজতেমায় ২৮টি বিশেষ ট্রেন

বিশ্ব ইজতেমায় ২৮টি বিশেষ ট্রেন

ঢাকার অদূরে টঙ্গিতে শুক্রবার থেকে শুরু হতে যাওয়া দুই পর্বের বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে মুসল্লিদের যাতায়াতে ২৮টি বিশেষ ট্রেন পরিচালনা করবে রেলওয়ে।

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর রেল ভবনে বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে রেল পরিচালনা কার্যক্রম সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক।

মন্ত্রী জানান, ইজতেমার প্রথম পর্যায়ে ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি ২৮টি করে বিশেষ ট্রেন পরিচালনা করা ছাড়াও সকল আন্তঃনগর, মেইল এক্সপ্রেস ও লোকাল ট্রেনে ২০ অতিরিক্ত কোচ সংযোজন করা হবে।

তিনি বলেন, বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্যায়ে ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি ও দ্বিতীয় পর্যায়ে ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি ২৮ টি করে বিশেষ ট্রেন পরিচালনা করা হবে। ইজতেমার প্রথম দিন শুক্রবার ঢাকা-টঙ্গী-ঢাকা রুটে  ২ টি জুম্মা স্পেশাল, আখেরী মোনাজাতের আগের দুইদিন জামালপুর ও আখাউড়া থেকে ২টি করে ৪টি, আখেরী মোনাজাতের আগের দিন লাকসাম-টঙ্গী রুটে ১ টি, আখেরী মোনাজাতের দিন ঢাকা-টঙ্গী রুটে ৭টি, টঙ্গী-ঢাকা রুটে ৭টি, টঙ্গী-লাকসাম ১টি, টঙ্গী-আখাউড়া ২ টি এবং টঙ্গী-ময়মনসিংহ রুটে ৪টিসহ মোট ২১টি আখেরী মোনাজাত স্পেশাল ট্রেন চলাচল করবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মোট ৩৮টি মেইল এক্সপ্রেস কমিউটার ও লোকাল ট্রেনের টঙ্গী স্টেশনে বিরতি আছে। আখেরী মোনাজাতের আগের ৫ দিন ঢাকা অভিমুখী সকল আন্তঃনগর ট্রেন (২৯টি) ২ মিনিট করে থামবে টঙ্গী স্টেশনে। এছাড়া আখেরী মোনাজাতের দিন ৫৮ টি আন্তঃনগর ট্রেন ও আখেরী মোনাজাতের  পরদিন ১৫টি আন্তঃনগর ট্রেন ২ মিনিট করে থামবে এখানে।

এতে আরও জানানো হয়, ১০ ও ১৭ জানুয়ারি রোববার ৭২১/৭২২ মহানগর প্রভাতী/গোধূলী, ১১ ও ১৮ জানুয়ারি সোমবার ৭০৭/৭০৮ তিস্তা এক্সপ্রেস  এবং ৮ ও ১৫ জানুয়ারি শুক্রবার  ৭০১/৭০২ সূবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেনগুলো সাপ্তাহিক বন্ধের দিনও চলাচল করবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিশেষ ট্রেন চলাচলের সুবিধার্থে সুর্বণ, তিস্তা, কালনী, মহুয়া ও তুরাগ এক্সপ্রেস এবং ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা-টঙ্গী, ঢাকা-জয়দেবপুর ও ঢাকা-কুমিল্লা কমিউটার ট্রেন আখেরি মোনাজাতের দিন বন্ধ থাকবে।

এছাড়া ইজতেমা উপলক্ষে সব আন্তঃনগর, মেইল এক্সপ্রেস ও লোকাল ট্রেনে ২০টি অতিরিক্ত কোচ সংযোজন করা হবে।

ঢাকা থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত সব রেল স্টেশনে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, “টঙ্গী রেল স্টেশনে একটি পুলিশ কন্ট্রোল রুম সব সময় চালু থাকবে। এছাড়া অতিরিক্ত/সহকারী পুলিশ সুপার এবং একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের অস্থায়ী অফিস থাকবে। টঙ্গী স্টেশনে অস্থায়ী ডিসপ্লেসারিও স্থাপন করা হবে।”

মন্ত্রী জানান, ইজতেমার সময় ঢাকা স্টেশনে ৭০টি এবং টঙ্গী স্টেশনে ৫০টি কাউন্টার থেকে টিকেট বিক্রি করা হবে।

মুসুল্লিদের জন্য টঙ্গী স্টেশনে একটি অস্থায়ী নামাজঘর, একটি বিশ্রামাগার, ৪০টি অজুখানা ও ২৫টি অস্থায়ী শৌচাগার নির্মাণ করা হবে বলেও জানান রেলমন্ত্রী।

ইজতেমার সময় মুসুল্লীরা যেন ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ না করেন, সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে রেলের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন তিনি।

About admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


উপরে